-40%

কুৎসিত মুখাবয়ব

৳ 440.00 ৳ 264.00

লেখকঃ আহসানুল হক শোভন
জনরাঃ হরর উপন্যাসিকা সংকলন
পৃষ্ঠাঃ ২৪০

Description

Description

চিলেকোঠার মৃত্যুদূতঃ
রেস্টুরেন্টে প্রেমিকার দিকে এক বয়োবৃদ্ধ লুকিয়ে নজর রাখায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল মুরাদ। প্রেমিকার হস্তক্ষেপে তাৎক্ষনিক কিছু করতে না পেরে রেস্টুরেন্ট থেকে বেরিয়ে গেল সে। আঁধার রাতে বাড়ি ফেরার সময় তার পিছু নিয়েছে কে? চিলেকোঠায় নিজ আবাসে ফেরার পর এমন সব ভীতিকর ঘটনা ঘটতে আরম্ভ করল, যা মুরাদ কখনও কল্পনাও করেনি।

ক্রোধঃ
খুব অল্পতেই রেগে যায় রাফাত, যা প্রায়শই জন্ম দেয় অনেক অনাকাক্সিক্ষত ঘটনার। আর এই কারণেই বুঝি চাকরী তার হাতে ধরা দিতে গিয়েও দিচ্ছে না। একবার বেশ বড়সড় এক প্রতিষ্ঠানে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে মেজাজ হারিয়ে ফেলল সে। চুপ করে বসে রইল না প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারাও। তাদের নির্দেশে রাফাতকে ঘিরে ধরল প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তারক্ষীর দল। তারপর?

অর্ধমানবঃ
নুজহাতকে পড়িয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাত হয়ে গেল মিতুর। খিলগাঁয়ে বাস থেকে নামার পর সময় বাঁচাতে বেছে নিলো কবরস্থানের শর্টকাট পথ। তখনও কী জানত ওর জন্য কী অপেক্ষা করছে ওখানে?

গল্প যখন সত্যি হয়ঃ
বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে বসে কাল্পনিক গল্প লিখছিল প্রখ্যাত লেখক সাবের। হঠাৎ ঘরে অন্য কারও উপস্থিতি অনুভব করল সে। মোফাসসেল মিয়া নামে পরিচয়দানকারী সেই অশরীরী সাবেরকে বলল তার নির্দেশিত পন্থায় গল্প লিখতে, তা না হলে খারাবী আছে কপালে। সাবের কী অশরীরীর নির্দেশিত পন্থায় গল্প লিখবে, নাকি নির্দেশ অমান্য করে এগিয়ে যাবে অনিশ্চিত পরিণতির দিকে?

মানসিক হাসপাতালঃ
আমিনহাট মানসিক হাসপাতাল থেকে দৌলতনগর এক্সটেনশনে একদল মানসিক রোগী নিয়ে যাচ্ছে মনোজ মুন্সি। হাসপাতালের হয়ে কাজটা প্রায় নিয়মিতই করে থাকে সে। তবে এবারের রোগীরা খানিকটা ব্যতিক্রম। এদের সবাই একেকজন ভয়ঙ্কর খুনি!

২১৩ নাম্বার বাড়িঃ
২১৩ নাম্বার বাড়িটাতে পড়ানো শুরু করার পর থেকেই কেমন যেন লাগছে মুক্তির। দিন দিন তার অস্বস্তির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। মুক্তির এই অস্বস্তি এমনি এমনি তৈরি হয়নি, এর পেছনে দায়ী বাড়ির দুই বাসিন্দা মিসেস রোজারিও এবং তার মেয়ে মেরিন ফার্নান্দেজের অদ্ভুত সব আচরণ।

নামানুষঃ
চুরি করে জঙ্গলের গাছ কেটে সংসার চালায় মজিদ। স্ত্রী রাহেলা স্বামীর এসব কাজ মনে মনে সমর্থন না করলেও ভয় পায় বাধা দিতে। রাহেলা জানে না, গভীর রাতে মজিদ কেবল গাছ কাটার উদ্দেশ্যেই যায় না, জঙ্গলের প্রতি তার অমোঘ আকর্ষণের পেছনে লুকিয়ে রয়েছে আরও অনেক বিষয়।

ঘোরঃ
জীবনে প্রথমবারের মত গ্রামে এসে ভীতিকর এক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হল ছোট্ট রাহাত। সেই অভিজ্ঞতা পিছু ছাড়ল না তার যৌবনেও। শহর থেকে একের পর এক নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে তরুণী মেয়েরা। কারা করছে এসব? অন্ধকার ঘরে একা একা কার সঙ্গে কথা বলে রাহাত?

রক্ততটের যাত্রীঃ
মিলন আর রেবার কষ্টের টাকায় কেনা ফ্রিজটি জাপানের অনিমা কোম্পানির তৈরি। জাপানে ডিমন বা শয়তানকে ‘অনি’ বলা হয়। আর ‘মা’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘মারা’ থেকে, যার অর্থ খারাপ আত্মা। এসবের কিছুই অবশ্য মিলন বা রেবার জানা নেই। তারা অল্প টাকায় এত সুন্দর ফ্রিজ পেয়ে অসম্ভব খুশি।

কুৎসিত মুখাবয়বঃ
কুৎসিত চেহারার মানুষদের কেউ পছন্দ করে না। মজার ব্যাপার হল, কুৎসিত মুখশ্রীর মানুষগুলোও একে অপরকে দেখতে পারে না। প্রকৃতিগতভাবে মানুষের স্বভাবটাই হয়ত এমন। আয়নায় কেবল সে সুন্দর রূপটাই দেখতে পছন্দ করে। অথচ তাদের শারীরিক চাহিদা কিন্তু আর দশজন স্বাভাবিক মানুষদের মত। খবরের কাগজে পরকীয়ায় জড়িয়ে যাদের অপরাধ করতে দেখে অবাক হয়ে ভাবেন, এই চেহারার কারও প্রেমে মানুষ পড়ে? হাহা…কেউ পড়ে না বলেই এক পর্যায়ে দেয়ালে তাদের পিঠ ঠেকে যায়। তারা মরিয়া হয়ে ওঠে। আর ঠিক তখনই সুযোগসন্ধানী কারও প্রলোভনে পড়ে করে বসে ভয়ঙ্কর অপরাধ। আমিও ঠিক এমন কিছুই করেছি। কী করেছি, শুনবেন?